শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ঈদে নির্বিঘ্ন যাতায়াতে ডিএমপির কঠোর নির্দেশনা: ৭ দিন বন্ধ থাকবে ভারী যানবাহন বৃষ্টির হানা মিরপুরে: ৩২ ওভারে বাংলাদেশের লক্ষ্য ২৪০ রান ইরাকে মার্কিন জ্বালানি বিমান বিধ্বস্ত: ৬ আরোহীর সবাই নিহত ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন: কার্য উপদেষ্টাসহ ৫ সংসদীয় কমিটি গঠন, পর্যালোচনায় আসবে ১৩৩ অধ্যাদেশ ধামরাইয়ে জরাজীর্ণ মিটারে বারবার আগুন: নতুন সংযোগে পল্লী বিদ্যুতের ‘গড়িমসি’, আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্রপতির পরস্পরবিরোধী বক্তব্য ও নৈতিকতা: পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল রাজনৈতিক অঙ্গন ইরানে সরকার পতন সম্ভব নয়: ইসরায়েলের ‘অসহায়’ স্বীকারোক্তি হরমুজ প্রণালিতে ৩ জাহাজে ভয়াবহ হামলা: একটিতে আগুন, নাবিকদের উদ্ধার

চট্টগ্রামের হালিশহরে প্রকাশ্যে চলছে মাদক ব্যবসা ও জুয়ার আসর

মোঃ আবদুল্লাহ, চট্টগ্রাম থেকে ॥ বন্দর নগরী চট্টগ্রামের হালিশহর থানাধীন প্রিন্স অব চিটাগাং কমিউনিটি সেন্টারের পিছনে টিন সীট ঘরে জুয়াড়ি আলতাফ এর নেতৃত্বে হরদম চলছে মাদক ও জুয়ার আসর। দীর্ঘদিন যাবত জুয়াড়ি আলতাফ এর নেতৃত্বে হালিশহর থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় হরদম চলছে মাদক ও জুয়ার আসর। প্রিন্স অব চিটাগাং কমিউনিটি সেন্টার, রোড নং ১, কে ব্লক, পোর্ট কানেক্টিং রোড, হালিশহর চট্টগ্রামে প্রশাসনের অসৎ কর্মকর্তার সহযোগিতায় হরদম চলছে মাদক ও জুয়ার আসর।

সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, কামাল (ছদ্মনাম) এক জুয়াড়ি জানান, মাঝে মধ্যে পুলিশের অভিযান হয়, কিন্তু অভিযানের আগেই সকল জুয়াড়িদের সরে যেতে বলা হয়, তখনই জুয়ার আসর ও মাদকের স্পট থেকে সবাই চলে যায়। এরপরে হয় লোক দেখানো পুলিশি অভিযান। মাদক ও জুয়ার আসর পরিচালনাকারীদের একজন হাসান প্রতিবেদককে বলেন, থানা পুলিশ, ডিবি, এসবি, সাংবাদিক, ছোট্ট নেতা, বড় নেতা সবাইকে ম্যানেজ করেই চালাচ্ছি এই মাদক ও জুয়ার আসর। এই স্পট থেকে প্রতি মাসে পুলিশ কে মোটা অংকের মাসোয়ারা দিয়ে থাকি। তাই আমাদেরকে কেউ কিছু করতে পারবে না।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, মাদক ও জুয়ার আসরে ৩৫/৪০ জনের অধিক লোক আছে আছে। তাদের একেক জনের কাজ একেক রকম। ৮/১০ জন মাদক ও জুয়ার আসরের চারপাশে বিভিন্ন জায়গায় ছদ্মবেশে বসে থাকে। শুধু মাদক ও জুয়ার আসর সম্পর্কে কেউ কিছু বলছে কি-না জানার জন্য, আর বাকী লোক জন হালিশহর ওয়াপদার মোড় , আনন্দিপুর গেইট, আনন্দিপুর রোড়, তাসফিয়া ক্লাব এলাকার চতুর পার্শে ছদ্মবেশে মাদক ও জুয়ার আসর নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত থাকে। তাদের প্রত্যেকের মজুরি প্রতিদিন ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ব্যবসায়ী বলেন, মাদক ও জুয়ার আসর টি আরো অনেক আগে থেকে চলে আসছে। মাঝে মধ্যে ১/২ মাস বন্ধ থাকে। তারপর আবার চালু হয়। মাদক ও জুয়ার আসর এখন জুয়াড়ি আলতাফ ও হাসানের নেতৃত্বে চলছে।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুব স্বেচ্ছাসেবক লীগ চট্টগ্রাম জেলা কমিটির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ দিবাকর চন্দ্র দাস বলেন ,যাঁরা মাদক, জুয়ার আসর, ক্যাসিনো, নারী কেলেংকারী, চাঁদাবাজির সাথে জড়িত তাঁরা দেশের ও সমাজের শত্রু, তারা কোন দলের লোক হতে পারে না। তাদের একটাই পরিচয় তারা অপরাধী, আমাদের দলে কোন অপরাধীর স্থান নেই।

আমি ও আমার দলের পক্ষ থেকে সকল অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সুদৃষ্টি কামনা করছি। হালিশহর থানার ওসি তদন্ত আল মামুন বলেন, মাদক ও জুয়ার আসর সম্পর্কে আমার জানা না। এখন আপনার কাছ থেকে জানালা, বিষয় টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com